[Poem][newsticker]
Articles by "JOURNALISM"

 https://somoyjournal.com/news-post/42606/Martin-Raiser-has-reaffirmed-the-global-lender%E2%80%99s-commitment-to-Bangladesh-amid-economic-challenges



Jamal Uddin:

World Bank (WB) Vice President for South Asia, Martin Raiser, visited Dhaka from February 8 to 12, reaffirming the global lender’s commitment to Bangladesh amid economic challenges. The visit focused on bolstering development efforts, including energy sector reforms, financial stability, and inclusive growth strategies.

On February 11, Raiser met with Chief Adviser Professor Muhammad Yunus, reiterating the WB’s support for Bangladesh’s reform agenda. 

Prof Yunus detailed his initiative to create a consensus commission to facilitate dialogue with political parties on key reforms recommended by six major commissions.

Discussions centered on WB financing for governance, transparency, and digitalization reforms, including tax administration. Raiser emphasized that reforms are critical for Bangladesh’s democratic transition and future growth, reinforcing trust in institutions. He urged the separation of tax administration from tax policy to enhance governance and transparency, stating that Parliament should have sole authority over tax exemptions.

Raiser also highlighted the need for improved public procurement systems and stressed the independence of the Bangladesh Bureau of Statistics to ensure reliable data for policymaking. Additionally, he underscored the significance of a strong digitization agenda, particularly in developing the National Identification (NID) system. He noted that the WB could facilitate connections with countries that have advanced digital identification infrastructures.

With a focus on transparency and institutional integrity, Raiser emphasized that the successful implementation of these reforms would be crucial in shaping Bangladesh’s future economic trajectory.

The visit reaffirmed the WB’s role in supporting Bangladesh’s long-term economic resilience, governance reforms, and inclusive development strategies.

Over the years, the WB has committed approximately $44 billion to Bangladesh, primarily in grants and concessional credits. 

On February 12, Raiser visited United International University’s Innovation Center, engaging with students and faculty on digital transformation and entrepreneurship. 

During the visit, he also held meetings with senior officials of the interim government, including the finance and energy advisers, the Bangladesh Bank governor, and other key officials.

Somoyjournal/MI

 https://somoyjournal.com/news-post/39980/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9A-%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87:-%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%8F%E0%A6%AE%E0%A6%8F%E0%A6%AB-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8


জামাল উদ্দীন:

বিশ্ববাজারে পণ্যের উচ্চ মূল্য দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। সম্প্রতি তিনি বলেছেন, এমনিতেই মানুষ শ্লথ প্রবৃদ্ধি ও উচ্চ ঋণের কারণে জেরবার; তার সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি মানুষের জীবন আরও দুর্বিষহ করে তুলবে।

বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের যৌথ সম্মেলনে দেওয়া এক বক্তৃতায় ক্রিস্টালিনা বলেন, বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম যে বেড়েছে, তা দীর্ঘস্থায়ী হবে। এতে মানুষের কষ্ট বাড়বে। এই দীর্ঘস্থায়ী উচ্চ মূল্যের কারণে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন। তিনি আরও বলেন, একদিকে প্রবৃদ্ধির ধীরগতি, আরেক দিকে উচ্চ ঋণ—এই জোড়া ধাক্কার হাত থেকে মানুষের নিস্তার নেই।

ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেন, বিশ্ব অর্থনীতি কিছুটা ভালো অবস্থায় রয়েছে; যদিও তাঁর সতর্কবার্তা, উদ্বেগ এখনো রয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির তুলনায় কিছুটা কম।

সম্মেলন উপলক্ষে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে আইএমএফ। সংস্থাটির পূর্বাভাস, চলতি বছর বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ দশমিক ২ শতাংশ। আগামী বছরেও প্রবৃদ্ধির একই থাকবে। এর মধ্যে উন্নয়নশীল ও উদীয়মান দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ দশমিক ২ শতাংশ আর উন্নত দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি হতে পারে ১ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০২৫ সালের পর বৈশ্বিক সার্বিকমূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়াবে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।

আইএমএফ আরও বলেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। সার্বিক মূল্যস্ফীতি হতে পারে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জন্য জিডিপির প্রবৃদ্ধি নিয়ে আইএমএফের আগের পূর্বাভাস ছিল ৬ দশমিক ৬ শতাংশ। তবে মূল্যস্ফীতি আগেও ৯ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি। সর্বশেষ আউটলুকে বলা হয়েছে, ২০২৪ এবং ২০২৫ সালে বিশ্বের জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ২ শতাংশে স্থির থাকবে। তবে নিম্ন প্রবৃদ্ধি এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সাম্প্রতিক বন্যা এর অন্যতম কারণ বলে জানায় সংস্থাটি। এর আগে প্রবৃদ্ধি কমার পূর্বাভাস দিয়েছিল আরেক দাতা সংস্থা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এডিবি। এবার একই পথে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফও। 

গত সেপ্টেম্বরে ঢাকা সফরে, আইএমএফের প্রতিনিধি দল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে মন্থর বলে মন্তব্য করে। প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখার মত কিছুই ঘটেনি বলেও জানায় তারা। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, শিল্পখাতে অস্থিরতা এবং বন্যাকে কারণ হিসেবে দায়ী করা হয়।


 https://somoyjournal.com/news-post/38765/%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%82%E0%A6%B2-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0




জামাল উদ্দীন:

দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নিতে বাণিজ্য সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ সংস্কার উদ্যোগের তাগিদ দিতে মহাসমাবেশ আয়োজন করছেন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। এরই মধ্যে তারা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে মিটিং করেছেন। সেই মিটিংয়ের সূত্র ধরে ব্যবসায়ীদের মহাসম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্যবসায়ী সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয় হচ্ছে দেশের শিল্পায়নকে এগিয়ে নেয়া, উৎপাদন বাড়ানো, আইনি ও  ব্যাংকিং ব্যবস্থার এবং সাম্প্রতিককালে শিল্প খাতে যে অস্থিরতা রয়েছে তা কঠোর হাতে দমন করা। 

গত ৫ আগষ্ট বিগত সরকারের পতনের পর শিল্পখাতেও অস্থিরতা বিরাজ করছে। শ্রমিকদের নানা দাবিতে রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের মধ্যেও বিভক্তি ছড়িয়ে পড়েছে। কতিপয় ব্যবসায়ী নেতা বিগত সরকারের দালালি করেছেন এমন অভিযোগে সাধারণ ব্যবসায়ীরা বলেছেন, অতিমাত্রায় দালালির কারণে বাণিজ্য প্রসার ঘটেনি। এমনকি ব্যবসায়ীদের পক্ষে কথা বলার ফোরামগুলোও সরকারের কব্জায় পড়ে যায়। এ অবেস্থা থেকে উত্তরণের জন্য ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সংস্কার ও বিদ্যমান নেতৃত্বে আমূল পরিবর্তন জরুরী। এসব সংগঠনের নির্বাচনী কাঠামো সংস্কারের প্রয়োজনীয়তাও দেখা দিয়েছে। 

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইকে কেন্দ্র করে অনেকদিন ধরেই সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে জানান এফবিসিসিআইর সাবেক পরিচালক আবদুল হক তিনি বলেন, এফবিসিসিআই মূলত সব ধরণের ব্যবসায়ীদের সংগঠন হলেও সম্প্রতি এটি এলিট বিজনেস ক্লাবে পরিণত হয়েছে। এই এলিট ক্লাব আবার বিশেষ রাজনৈতিক মদদপুষ্ট ব্যবসায়ীদের এলিট ক্লাব। এখানকার নেতৃত্ব ঠিক করে দিত সরকারের উপরমহল থেকে। সাধারণ সদস্যরা মতিঝিলে সংগঠনটির অফিসে ঢুকতে হলেও বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হতো। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় এফবিসিসিআইয়ের শীর্ষ পদে অধিষ্টিত হওয়ার সুযোগ থাকায় সাধারণ সদস্যদের গুরুত্ব ছিল একেবারেই কম। আগে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতিসহ সব পদে সরাসরি নির্বাচন হতো এবং যারা নির্বাচিত হয়ে আসতো প্রত্যেকেই ছিলেন নামকরা ব্যবসায়ী এবং সবার ইমেজ ছিল ভিন্ন রকম। বির্গত কয়েকটি নির্বাচনে বিগত সরকারের আশীর্বাদপুষ্টরা এখানে এসে শীর্ষ পদে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ফলে সাধারণ সদস্যদের প্রতি কোন জবাবদিহিতা তাদের ছিল না বলা যায়। 

সরকার পতনের পর ভিন্ন ধারার কয়েকজন ব্যবসায়ী নেতা সামনে চলে এসেছিলেন। অভিযোগ উঠেছে এদের কেউ কেউ বিজনেস কমিউনিটির কন্ট্রোলিং পাওয়ারটা নিজের আয়ত্বে নিয়েছেন। সাধারণ সদস্যদের অভিযোগ, আগের মতই কি এখনো চলবে? যদিও অনেকে বলেছেন একটা পরিবর্তন তো হতেই হবে। এটি সেই পরিবর্তনেরই ফল। তবে ক্ষুদ্র মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা বলেছেন, তারা বরাবরই অবহেলিত। বাংলাদেশ এসএমই ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলী জামান জানান, সবসময়ই এলিট ব্যবসায়ীদের স্বার্থসিদ্ধি করে আসছে এফবিসিসিআই। কিন্তু ব্যাপক কর্মসংস্থান হলেও এসএমই খাত ছিল উপেক্ষিত -অবহেলিত। আমরা চাই এফবিসিসিআই-এ এমন নেতৃত্ব আসুক যারা সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসবেন, যারা জিতবেন তারা ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবেন। 

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করছেন, সম্প্রতি শিল্প কারখানায় হামলার পেছনে বহিরাগতদের উস্কানি রয়েছে। তাদের মতে, কারখানার ভেতরে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করলে সেটা আলোচনার মাধ্যমে মেটানো যায়। কিন্তু বহিরাগতরা এসে হামলা চালালে কিংবা বাইরে থেকে ভেতরে শ্রমিকদের উস্কানি দিলে সেটা সহজে সমাধান করা যায় না। ব্যবসায়ী নেতারা বহিরাগতদের হামলা-উৎপাতকে এই মুহূর্তে প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। কেউ অভিযোগ করে বলেছেন, রাজনৈতিক পালাবদলের সুযোগ নিয়ে কতিপয় ব্যক্তি, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও চাঁদাবাজি করছেন।

বর্তমানে বাংলাদেশের বড় শিল্প গ্রুপগুলোর সবাই প্রায় বেকায়দায় রয়েছে। বিশেষত: ছাত্র আন্দোলনের সময় গণভবনে ব্যবসায়ী নেতাদের বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় অনেকে আতঙ্কেও আছেন। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার নামে সামনের সারিতে চলে এসেছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী নেতা। এদের মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিন্টুসহ কয়েকজন রয়েছেন। গুলশানে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্র (আইসিসি) অফিসে একাধিক বৈঠক হয়েছে।  এসব বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দেয়া ও উদ্ভূত বিষয়ে সরকারের সুনজরে আনা প্রয়োজন বলে মতামত ব্যক্ত করা হয়। সে ধারাবাহিকতায় দেশের বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নজরে সমস্যাটি তুলে ধরা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করে করেন। এ অবস্থায় তারা সিদ্ধান্ত নেন যে প্রধান উপদেষ্টার কাছে তারা বিষয়টি তুলে ধরবেন এবং সে আলোকে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ব্যবসায়ী সম্মেলনের উদ্যোগ নেয়া হয়। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কাছে আনুষ্ঠানিক দাওয়াতপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। 

এদিকে এফবিসিসিআই-এর বর্তমান সভাপতি মাহবুবুল আলম দীর্ঘদিন ধরেই মতিঝিলের ফেডারেশন ভবনে যাচ্ছেন না। তার বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে পদত্যাগ দাবি করে সাধারণ ব্যবসায়ীরা আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণ ব্যবসায়ীদের দাবি এখন থেকে এফবিসিসিআই সরাসরি ভোটে নেতা নির্বাচন করবে। আর এভাবেই এই মুহূর্তে এফবিসিসিআই সংস্কারের পথে একধাপ এগিয়ে যাওয়া হবে বলে মনে করেন তারা। 

ব্যবসায়ীরা জানান, যৌথ অভিযান শুরুর পর শিল্প কারখানায় পরিবেশ কিছুটা শান্ত হয়ে আসছে। তবে শ্রমিকদের মাঝে অসন্তোষ এখনো পুরোপুরি কাটেনি। এখানে শ্রমিকদের স্বার্থের পাশাপাশি শিল্পেরও নিরাপত্তা জরুরী । শিল্প না টিকলে দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। এজন্য শিল্প সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে পারে বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সাম্প্রতিক তৎপরতা বেশ চোখে পড়ার মতো। সরকার পতনের পর তিনি অনেক কিছুতেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। ব্যবসায়ী সম্মেলনেও তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়াকে নিয়েও তিনি ব্যবসায়ী সম্মেলন করেছিলেন। তার এবারের তৎপরতায় অনেকেই খুশি। কেউ কেউ আবার ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বললেন, বিগত সরকারের সুবিধাভোগী কোন কোন ব্যবসায়ী নেতাকে তিনি শেল্টার দিচ্ছেন। এরমধ্যে এফবিসিসিআইয়ের দুইজন সাবেক সভাপতির কথাও বলেছেন তারা। তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করার জন্য টেলিফোন করা হলেও আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।


করোনার দুর্যোগে ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করায় আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) ফ্রন্টলাইন জার্নালিজম অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন দৈনিক ইত্তেফাকের ইকনোমিক এডিটর ও বিশেষ প্রতিনিধি জামাল উদ্দীন।

রবিবার এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, অ্যামচেম প্রেসিডেন্ট সৈয়দ এরশাদ আহমেদসহ অন্যরা এতে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়তে ক্লিক করুন: 

https://www.ittefaq.com.bd/capital/216878/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%AE-%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%AE-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8%C2%A0%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8

https://www.ittefaq.com.bd/print-edition/city/195562/%E0%A6%87%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%8F%E0%A6%AB-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8 

ইত্তেফাক রিপোর্ট

কোভিড-১৯ ও অর্থনীতিসংক্রান্ত প্রতিবেদনের জন্য এ বছর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সেরা রিপোর্ট বিজয়ী হয়েছেন দৈনিক ইত্তেফাকের অর্থনৈতিক সম্পাদক জামাল উদ্দীন। রবিবার এই পুরস্কারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। করোনার প্রভাবে দেশের অর্থনীতিতে কতটা প্রভাব পড়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সংকট এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর অভিঘাত ও উত্তরণ নিয়ে পাঁচ পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ছাপা হয় দৈনিক ইত্তেফাকে। প্রতিবেদনে অর্থনীতির ভবিষ্যত্ চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিশ্লেষণ ও দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়। অর্থনীতিকে টেনে তুলতে সরকারের নেওয়া প্রণোদনা প্যাকেজের বাস্তবায়নে দুর্বলতার চিত্রও উঠে আসে। সিরিজ প্রতিবেদনটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচিত হয়। এর রেফারেন্স নিয়ে পত্রিকায় সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়ও প্রকাশিত হয়।

একই সঙ্গে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরো ১৪ জনকে বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। এ উপলক্ষ্যে ইআরএফ মিলনায়তনে আয়োজিত পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ইআরএফ সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম, দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ কাজী ফয়সাল বিন সিরাজ, ইআরএফের সাবেক সভাপতি শামসুল হক জাহিদ, ইআরএফ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২০ জুরি বোর্ডের সমন্বয়ক ও রয়টার্সের সাবেক ব্যুরো চিফ সিরাজুল ইসলাম কাদির প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এ বছর অ্যাওয়ার্ড প্রদানে সহায়তা করেছে দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশন। বিজয়ীদের ক্রেস্ট, সম্মাননাসহ নগদ ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী সাংবাদিকদের হাতে ক্রেস্ট ও চেক তুলে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। পুরস্কার বিজয়ীরা হলেন—দৈনিক ইত্তেফাকের জামাল উদ্দীন, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের জসিম উদ্দিন হারুন, প্রথম আলোর রাজিব আহমেদ, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর শাহ কাজল ও সানাউল্লাহ সাকিব, শেয়ার বিজ পত্রিকার ইসমাইল আলী, যুগান্তরের এস এ এম হামিদ উজ জামান, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের জেবুন নেসা আলো, দেশ রূপান্তরের আলতাফ মাসুদ, জিটিভির রাজু আহমেদ, যমুনা টিভির সুশান্ত সিনহা, রিমন রহমান, আলমগীর হোসেন, সময় টিভির এস এম যোবায়ের আলম এবং একাত্তর টিভির কাবেরী মৈত্রেয়।


 কোভিড ১৯ ও অর্থনীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের জন্য এবছর ইকনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সেরা রিপোর্ট বিজয়ী হয়েছেন দৈনিক ইত্তেফাকের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পাদক জামাল উদ্দীন। রবিবার এই পুরস্কারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়।  

করোনার প্রভাবে দেশের অর্থনীতিতে কতোটা প্রভাব পড়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সংকট এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর অভিঘাত ও উত্তরণ নিয়ে পাঁচ পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ছাপা হয় দৈনিক ইত্তেফাকে। প্রতিবেদনে অর্থনীতি ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিশ্লেষন, ও দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়। অর্থনীতিকে টেনে তুলতে সরকারের নেয়া প্রণোদনা প্যাকেজের বাস্তবায়নে দুর্বলতার চিত্রও উঠে আসে। সিরিজ প্রতিবেদনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আলোচিত হয়। এর রেফারেন্স নিয়ে পত্রিকায় সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়ও প্রকাশিত হয়। জামাল উদ্দীন ইতোপূর্বে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ অন্যান্য রিপোর্টিং


এওয়ার্ড-ফেলোশিপও লাভ করেছেন।

একই সঙ্গে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরো ১৪ জনকে বেস্ট রিপোর্টিয় অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। এ উপলক্ষে ইআরএফ মিলনায়তনে আয়োজিত পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি। ইআরএফ সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের  সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম, দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ কাজী ফয়সাল বিন সিরাজ, ইআরএফ’র সাবেক সভাপতি শামসুল হক জাহিদ, ইআরএফ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২০ জুরি বোর্ডের সমš^য়ক ও রয়টার্সের সাবেক ব্যুরোচীফ সিরাজুল ইসলাম কাদির প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এবছর অ্যাওয়ার্ড প্রদানে সহায়তা করেছে দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশন। 


MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by Jason Morrow. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget